মিষ্টির দোকানঅতিপ্রাকৃত

মিষ্টির দোকান — পর্ব ৭

ইয়াছিন নাইম২০ অক্টোবর ২০২৬৭ মিনিট পড়া

(An Original Story by Yeasin Nayeem)

বড়ো হুজুরের মৃত্যুর সংবাদ শুনে আমি হতবাক হয়ে গেলাম।

একটু আগে আমি তাঁর সাথে কথা বলে এসেছি। তিনি আমাকে কত ভালোভালো কথা বলেছেন। আর এখন শুনছি বড়ো হুজুর নেই!

তাহলে আমি যার সাথে কথা বললাম, সে কে?

আম্মা বললেন,

"মানুষ মরার পর তার আত্মা কিছুক্ষণ দুনিয়ায় থাকে। তারপর উপরে চলে যায়।"

আব্বা বললেন ভিন্ন কথা।

"না আয়েশা। এটা কোনো মানুষের কাজ না।"

"তাহলে?"

আব্বার চেহারা গম্ভীর হয়ে যায়। বলেন,

"কিছু মানুষের সঙ্গে জিন থাকে। হয়তো হুজুরের সাথেও ছিল। হয়তো হুজুর চলে যাবার আগে যে কথাগুলো ওকে বলতে চেয়েছিলেন, তার সঙ্গী জিন সেই অপূর্ণ ইচ্ছে পূরণ করে গেছে।"


হুজুরের শরীর এলো অনেক রাতে।

মাদ্রাসার মাঠে ছাত্রদের কান্নার রোল পড়ল। কিছু ছাত্র ছিল অপরিচিত। কিছু মানুষ ছিল অচেনা। এদেরকে এর আগে কোনোদিন দেখিনি। এরা দেখতে অনেকটা লম্বা। শরীরে আতরের সুবাস।

জানাজার সময় মাদ্রাসার মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে রাস্তা পর্যন্ত ভরে গেল। আমার পাশে দাঁড়িয়ে যিনি জানাজা পড়ছিলেন তাঁকে আমি চিনি। যারা মিষ্টি কিনতে আসেন তাঁদের দলে দেখেছিলাম।

হুজুরকে কবরে রাখার সময় পড়া হলো,

"বিসমিল্লাহি ওয়ালা মিল্লাতি রাসুলিল্লাহ।"

তখনও চারপাশে পরিচিত মানুষদের সাথে অসংখ্য সাদা পোশাকের লোকজন ছিল। কবরে একমুঠো মাটি দিয়ে দেখি শুধু পরিচিত মানুষেরা। সাদা পোশাকধারী কেউ নেই। আমি অবাক হয়ে চারদিকে তাকাতে লাগলাম৷

যতদূর চোখ যায় শুধু অন্ধকার। কোথাও কেউ নেই। এত দ্রুত উনারা চলে গেছেন কীভাবে ভেবে পাচ্ছিলাম না। আব্বা আমার হাতটা শক্ত করে ধরে বললেন,

"ভয় পেও না। উনারা হুজুরের জানাজায় এসেছিলেন৷ কাজ শেষ তাই চলে গেছেন।"


সেই রাতে প্রথমবার আম্মাকে এত ভেঙে পড়তে দেখলাম। এবং প্রথমবার আমার বড়ো ভাইয়ের কথা শুনলাম।

আজ থেকে অনেক বছর আগে, এমনকি আমার জন্মের আগে আমার একটি ভাই ছিল। একদিন সন্ধ্যের আগেআগে ভাইকে কোলে করে বাড়িতে ফিরছিলেন আম্মা। হঠাৎ ভাই চিৎকার দিয়ে ওঠে।

ঘরে আসতে আসতে তার গায়ের রং নীল হয়ে গিয়েছিল। খবর পেয়ে বড়ো হুজুর ছুটে এসেছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে যা হবার হয়ে গেছে।

জানাজা পড়া হয়েছিল খোলা মাঠে। সেই রাতেও মিষ্টির ক্রেতারা হাজির হয়েছিলেন। তখন দাদা বেঁচে আছেন৷ জানাজার পর ভাইকে কবর দেওয়া হয়নি। দাদা এমন অনেক কিছুই জানতেন যা সাধারণত সবাই জানে না। তিনি জানতেন ভাইকে কবর দেওয়া হলে তার লাশ তুলে নিয়ে যাবে।

ভাইকে কাফনে মুড়িয়ে মিষ্টি ক্রেতাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। তাঁরা নাকি অনেক দূরে কোথাও ভাইকে দাফন করেন। কিন্তু কোথায় দাফন করা হয়েছে সেটা আব্বা জানেন না। দাদাও জানতেন না।

আব্বার মুখে সব কথা শুনে আমারও কান্না পেল। ছুটে গিয়ে আম্মার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়লাম। আম্মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন,

"আমি তো আমার ছেলের কথা ভুলেই গেছিলাম। বড়ো হুজুর যেতেযেতে কেন সেই কথা মনে করিয়ে দিয়ে গেলেন?"

আব্বার চেহারা গম্ভীর। ধীর স্বরে বললেন,

"হয়তো সে ফিরে আসছে।"

আচমকা আম্মার কান্না থেমে গেল। বড়োবড়ো চোখে তাকালেন আব্বার দিকে। আব্বাও নিষ্পলক তাকিয়ে আছেন। আম্মা বললেন,

"কী বললে তুমি?"

"সে ফিরে আসছে আয়েশা। এই খবরটাই যেতেযেতে হুজুর দিয়ে গেছেন।"

"কী বলছো এসব!" বিস্ফারিত গলায় আম্মা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন। আব্বা জবাব না দিয়ে বললেন,

"তাড়াতাড়ি ভাত দাও। খেয়ে ঘুমাতে হবে। রাতে এক জায়গায় যাব।"

"কোথায় যাবে তুমি?"

"সমস্যার সমাধান করতে।"

আমাকে পাঠালেন নূর ইসলাম ভাইকে পাশের ঘর থেকে নিয়ে আসতে। তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়লাম।


অনেক রাতে উনাদের আওয়াজ পেলাম।

পাশে তাকিয়ে দেখি নূর ইসলাম ভাই ঘুমে বুঁদ। আব্বা উনাদের সাথে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আমি সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বললাম,

"আমিও যাব।"

আম্মা লাফিয়ে ছুটে এলেন।

"তুই কোথায় যাবি?"

"উনাদের সাথে যাব।"

আম্মা কিছুতেই যেতে দিবেন না। বাইরে থেকে গম্ভীর আওয়াজ শোনা গেল,

"বাচ্চারা ফেরেশতার সমান। তারে আসতে দেন।"

আম্মা হতবাক হয়ে আব্বার দিকে তাকালেন। আমরা যখন বেরিয়ে গেলাম তখনও নূর ইসলাম ভাই ঘুমে বুঁদ।


আব্বা সবার সামনে দাঁড়িয়ে বললেন,

"অনেক বিপদে পড়ে আপনাদের কাছে এসেছি। দয়া করে আমাদের পাশে দাঁড়ান।"

উনাদের একজন বলে উঠলেন,

"বিপদের সময় ধৈর্য ধরতে হয়। আল্লাহকে ডাকুন। আপনার বাবা সারা জীবন আমাদের জন্য মিষ্টি তৈরি করেছেন। এখন আপনি করছেন। আপনার বিপদে আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত।"

আরেকজন বললেন,

"আল্লাহ একজন আছেন৷ তিনি নিশ্চয়ই আমাদেরকে সাহায্য করবেন। আপনার সমস্যা কী বলুন।"

"সমস্যা... সমস্যা হলো সে ফিরে এসেছে।"

"কে ফিরে এসেছে?"

প্রশ্ন শুনে আব্বা ঢোক গিললেন। ভয়েভয়ে তাকালেন চারপাশে। আমি তার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে। আমাদের চারিদিকে অসংখ্য সাদা পোশাকের লোক। মাথার উপর প্রকাণ্ড বটগাছ দাঁড়িয়ে। সুগন্ধি আতরের ঘ্রাণ যেন বটগাছের শাখা প্রশাখায় ছড়িয়ে পড়েছে।

কয়েকটি জোনাকি উড়ছে আশেপাশে। আব্বা আমার হাতটা আরেকটু শক্ত করে ধরলেন। উনাদের একজন ফের প্রশ্ন করলেন,

"ভয় পাবেন না। বলুন কে এসেছে?"

আব্বা কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন, "ওই জিনটা আবার ফিরে এসেছে।"

"কোনটা?"

পেছন থেকে সেই বৃদ্ধ বলতে লাগলেন, "যে উনার ছেলেকে মেরেছিল।"

বলতে বলতে এসে দাঁড়ালেন আমাদের সামনে।

"সে-ই মাদ্রাসার বড়ো হুজুরকে মেরেছে। আর আমাদের নূরের প্রাণও সে-ই নিয়েছে।"

সবাই হঠাৎ বিচলিত হয়ে পড়ল। তিনি থামতে নির্দেশ করে বললেন,

"কিছুদিন আগে যে ঘৌলের কথা বলেছিলাম ওই ঘৌল উনার বড়ো সন্তানকে মেরেছিল। অনেক বছর আগে আমার বাবা কায়দা করে ওটাকে তাড়িয়েছিলেন। এখন আবার ফিরে এসেছে। ভেবেছিলাম হয়তো নূরকে অন্য কোথাও মেরে উনার পুকুরে পুঁতেছে। এখন বুঝতে পারছি। ওটা আশেপাশেই কোথাও আছে।"

"হায় আল্লাহ! এখন কী হবে?" বলে উঠলেন তাদের একজন। বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জবাব দিলেন,

"জানি না এখন কার সর্বনাশ করতে এসেছে৷ ওটা একটা বহুরূপী। এত সহজে ওকে খুঁজে বের করা সম্ভব হবে না।"

বলে তিনি আফসোস করতে লাগলেন। আব্বার চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করেছে। সবার দৃষ্টি তখন সেই বৃদ্ধের দিকে। কিন্তু বৃদ্ধ সবাইকে নিরাশ করে বললেন,

"আমি কিছু করতে পারব না। ওটা এখন কোথায় আছে, কার রূপ ধরে আছে তা আমরা কেউ জানি না।"

"আমি জানি।" বলে হাত তুললাম। সঙ্গেসঙ্গে সবার কৌতূহলী দৃষ্টি আমার উপর এসে পড়ল। আব্বা আমাকে ঝাঁকুনি দিয়ে বললেন,

"এসব কী বলছিস!"

"ঠিকই বলছি। আমি জানি সে কোথায় আছে।"

আব্বা হতবাক হয়ে হাঁটু গেঁড়ে আমার সামনে বসে পড়লেন। বাকিরাও অদ্ভুত ভঙ্গিকে এগোল আমার দিকে। বৃদ্ধ সবাইকে ঠেলে সামনে এসে বললেন,

"তুমি জানো?"

আব্বা কাঁপা কণ্ঠে বললেন,

"তুই... তুই জানিস বাবা? জানিস শয়তানটা কোথায় আছে?"

"জানি।"

"কোথায় আছে? কার রূপ ধরে আছে? তুই কীভাবে জানলি ওটার কথা?"

"আমি জানি। কারণ ওটা আমার সাথেই ঘুমায়।"

আব্বা বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে পেছনে সরে গেলেন। তার অপার্থিব গলায় বললেন,

"নুর... ইসলাম?"

আমি ধীরে ধীরে মাথা নাড়লাম।


কথাগুলো যখন খুলে বলছিলাম তখন সবার চোখ বারবার বড়ো হয়ে যাচ্ছিল। জানালাম অনেক দিন ধরেই ওটা আমার সঙ্গে শোয়। প্রথমবার সন্দেহ হয় সেদিন, যেদিন তাকে গোবর খেতে দেখি।

আমার নূর ইসলাম ভাই গোবর খাওয়ার মানুষ নয়। আমি সেদিনই বুঝে গিয়েছিলাম ওটা আমার নূর ইসলাম ভাই নয়।

তারপর যখন তার পা গাধার মতো হতে দেখলাম, সেদিন আর কোনো সন্দেহ রইল না। চাইলে সেদিনই সবাইকে বলতে পারতাম। কিন্তু বলিনি। কারণ এতে আমার আব্বা-আম্মার ক্ষতি করতে পারত। আব্বা-আম্মার কিছু হলে আমি সহ্য করতে পারব না।

"কিন্তু তোমার ভয় লাগেনি?"

না, লাগেনি। ছোটোবেলা থেকে এত আজেবাজে কথা শুনে বড়ো হয়েছি! এসব আমার গা সওয়া হয়ে গেছে। আমার বয়সি ছেলেরা কত মজা করে। খেলাধুলা করে। আমার সাথে কেউ মিশে না। শুধু ওই একটা কারণে। সবাই বলে আমাদের বাড়িতে জিন আসে। আমার সাথেও নাকি জিন থাকে।

এসব শুনতে শুনতে আমার আর ভয় লাগে না। তাছাড়া আম্মা অনেক আগেই আমাকে দোয়া শিখিয়ে দিয়েছিলেন। আমি প্রতিদিন দোয়া পড়ে ঘুমাই। তাই জানতাম ওই শয়তান আমার কিচ্ছু করতে পারবে না।

সে যখন আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে আমিও তখন মনে মনে হাসি। সেই হাসি শয়তানটা দেখে না।


রাতে ঘরে ফিরে আর ঘুম হলো না।

আমাকে বারবার বলে দেওয়া হয়েছে কাজটা যেন সাবধানে করি। একটু এদিক সেদিক হলে সবাইকে মারা পড়তে হবে।

আব্বা জিজ্ঞেস করেছিলেন,

"বাবা তুই পারবি তো?"

"পারব আব্বা। আমার বড়ো ভাইয়ের জন্য আমি পারব৷ আমার নূর ভাইয়ের জন্য আমি পারব। আমার বড়ো হুজুরের জন্য আমি পারব। সবকিছুর বদলা নিব আমি।"

আসার সময় উনাদের মধ্যে বয়স্ক উনি আবারো সতর্ক করে দিয়েছেন। একটু এদিক সেদিক হলেই শেষ।

আব্বাকে বলেছি আম্মা যাতে এসব ব্যাপারে না জানেন। জানলে হয়তো কান্নাকাটি জুড়ে দিবেন। তাতে শয়তানটা বুঝে ফেলার সম্ভাবনা আছে।


পরদিন সকালে আব্বা কাজে মন দিতে পারলেন না। দুধের ছানা তৈরি করতে গিয়ে গণ্ডগোল করে ফেললেন। শিরায় চিনি যতটুকু দেওয়ার কথা তার থেকে অনেক বেশি হয়ে গেল। মিষ্টির আকার হলো এলোমেলো।

আম্মা অবাক হয়ে বললেন,

"আজ সব কাজে ভুল করছো কেন? এমন তো কখনো হয় না।"

আব্বার হাত ফসকে এক বাটি দুধ পড়ে গেল। এলোমেলো ভাষায় বললেন,

"কিছু না। শরীরটা খারাপ লাগছে।"

"খারাপ লাগলে কাজে ভুল হবে? কত অসুখ নিয়ে তুমি কাজ করলে। এমন তো হয়নি। কী সমস্যা বলো তো?"

আব্বা কোনোভাবে এড়িয়ে গেলেন। আমি জানি কেন এমন হচ্ছে। আজ রাতে কী হবে সেটা ভেবেই আব্বা বারবার কাজে ভুল করছেন। আমারও বুক কাঁপছে। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে যাচ্ছে বারবার।

যতটুকু সম্ভব নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। যাতে নূর ইসলাম ভাইর বেশে থাকা ঘৌলটা কিছু বুঝতে না পারে।


রাতে খাবার গলা দিয়ে নামছিল না। আমারও না। আব্বারও না। আম্মা ধমক দিয়ে বললেন,

"তোমাদের বাপ ছেলের কী হইছে বলো তো? এমন করছো কেন?"

আব্বা কোনোভাবে সামাল দিলেন। রাতে ঘুমানোর সময় ইচ্ছে করেই দোয়া পড়লাম না। নূর ইসলাম ভাই আমার পাশে শোবার সময় একবার আমার মুখের দিকে তাকালো।

তার চেহারায় আজ বিকৃত হাসির মৃদু রেখা দেখা যাচ্ছে। এমন হাসি হয়তো কেউ কোনোদিন দেখেনি।

চলবে।

লেখা : ইয়াছিন নাইম

পর্ব শেষ
ইয়াছিন নাইম

লেখা

ভৌতিক ও অতিপ্রাকৃত ধারাবাহিক গল্পের লেখক

লেখকের ফেসবুক পেজ

সব পর্ব দেখুন

আরও গল্প

এই সিরিজের বাইরে, একই স্বাদের

সব গল্প
চাঁদের গায়ে ধূসর কলঙ্ক

চাঁদের গায়ে ধূসর কলঙ্ক — পর্ব ১৪

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে চলেছে। নিস্তেজ হয়ে আসা সূর্যের আলো হেলে পড়েছে একপাশে। কিছুক্ষণ আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। ভেজা রাস্তার ওপাশে একটা কালো গাড়ি দাঁড়িয়ে। আয়রার প্রিয় ব্র্যান্ডের গাড়ি; মার্সিডিজ। আজ সাদা ড্রেস পরেছে আয়রা। কালো গাড়ির সামনে সাদা ড্রেসটাই…

৭ অক্টোবর ২০২৬৫ মিনিট পড়া
চাঁদের গায়ে ধূসর কলঙ্ক

চাঁদের গায়ে ধূসর কলঙ্ক — পর্ব ১৩

টিউশানি শেষে মেসে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। ক্লান্ত হয়ে বিছানায় পড়েছি সবে। মাহিদ ভাই দরজায় নক করলেন, "আজান, আসব?" তারপর জবাবের অপেক্ষা না করেই ঢুকে পড়লেন। মুখ তুলে তাকিয়ে দেখি তার চেহারায় স্পষ্ট বিরক্ত। দপ করে সামনে বসে বললেন,…

৬ অক্টোবর ২০২৬৬ মিনিট পড়া
চাঁদের গায়ে ধূসর কলঙ্ক

চাঁদের গায়ে ধূসর কলঙ্ক — পর্ব ১১

রায়ানের কল দেখে বিচলিত হয়ে পড়ে আয়রা। তার ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ পুরো ঘরময় ছড়িয়ে পড়তে থাকে। কলটা যখন আপনাআপনি কেটে যায় তখনও কিছুক্ষণ স্ক্রিনের দিকে চেয়ে থাকে। তারপর আচমকা বোতল উলটে মুখের সাথে লাগিয়ে নেয়। "আরেআরে কী করছেন! এত খাবেন…

৫ অক্টোবর ২০২৬৪ মিনিট পড়া