খুনের জাদুকরঅতিপ্রাকৃত

খুনের জাদুকর — পর্ব ৩

ইয়াছিন নাইম১২ ডিসেম্বর ২০১৪৭ মিনিট পড়া

দারোয়ানের মৃত্যু আমাকে ভাবিয়ে তুলছিল ক্রমশ। সেইসাথে একটা মৃদু আতঙ্ক ইঁদুরের মতো ছুটে বেড়াচ্ছিল। বারবার মনে হচ্ছিল, যে লোকটা আশ্রয় নিতে এসেছে তার পরিচয় কী? দারোয়ানের মৃত্যুর সঙ্গে ওই লোকটার কোনো যোগাযোগ নেই তো?

গুটিগুটি পায়ে সামনে এগিয়ে যাই। মূল দরজা পেরিয়ে বিশাল পরিসর, প্যাঁচালো সিঁড়ি বেয়ে দোতলার করিডোর দিয়ে কয়েক পা এগোলেই ঘরটা যেখানে লোকটাকে থাকতে দিয়েছি। ফ্লাশলাইটের আলোয় পুরো ঘর খুঁজে দেখি। লোকটা কোথাও নেই!

অন্য সব ঘর তন্নতন্ন করে খুঁজছিলাম সহসা একটা হাত আমার কাঁধের উপর টের পেয়ে আমি পুরোপুরি জমে গেলাম। পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটার কণ্ঠস্বর শোনা গেল,

"কী খুঁজছিলেন?"

আমি আমতা আমতা করছিলাম। লোকটা আমার মুখোমুখি দাঁড়ায়। পকেট থেকে কী একটা বের করে। একটা গলার চেন। সেটাতে গোলাকৃতির লকেট লাগানো। সেই লকেটটা আমার চোখের সামনে ধরে রাখে লোকটা। মৃদু আলোয় একটা অবাক করা দৃশ্য দেখতে পাই। দেখি, সেই লকেটে হুবহু একইরকম ট্যাটু আঁকা যেরকমটা আমার হাতে!

"কী দেখতে পাচ্ছেন বলুন তো?" লোকটা আমাকে জিজ্ঞেস করে। আমি না ভেবে বলি, "বাটারফ্লাই..."

হা হা করে হেসে উঠে লোকটা। লকেকটটা নব্বই ডিগ্রি ঘুরিয়ে বলে, "এবার?"

আমি অবাক হয়ে চেয়ে থাকি। কারণ এখন আর সেটা প্রজাপতি নেই। সেটা দেখতে অনেকটা বিষাক্ত সাপের মতো মনে হচ্ছে। একটা প্যাঁচালো সাপ। হা করে চেয়ে আছে। আমার দিকেই! লোকটা বিদ্রুপ করে বলল, "এইবার কী দেখতে পাচ্ছেন?"

আমি বললাম, "সাপ।"

লোকটা চট করে পকেটে ঢুকিয়ে রেখে দিলো। তারপর আমার কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, "ব্ল্যাক বাম্বা। এই সাপ এদেশে পাওয়া যায় না। আফ্রিকায় দেখা মেলে। এটা এতটাই বিষাক্ত যে..." একটু থেমে বলে, "এর সামনে পড়ে আজ অবধি কোনো মানুষ বেঁচে ফিরেনি।"

"ব্ল্যাক বাম্বা?" আমি প্রশ্ন করলাম। কারণ এই সাপের কথা আমি কোনো এক বইয়ে পড়েছিলাম। সাপটা সত্যিই খুব বিষাক্ত। খুব ভয়ঙ্কর।

"ব্ল্যাক বাম্বা। আমার ব্যাগে আছে একটা। আফ্রিকা থেকে ধরে এনেছি। দেখবেন?" বলতে বলতে ব্যাগের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দেয় লোকটা। আমি না না করে তিনহাত দূরে সরে যাই। লোকটা তাচ্ছিল্য করে হেসে বলে, "বিশ্বাস করে ফেলেছেন নাকি? মজা করছি। ওই সাপ ব্যাগে ভরতে যাবে কোন পাগলে? হা হা হা।" বলতে বলতে সে তার হাত দেখায়। তার হাতেও বাটারফ্লাই ট্যাটু। ট্যাটুটা নব্বই ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেখিয়ে বলে, "এইবার সাপটা দেখা যাচ্ছে তো?"

আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। কারণ সত্যিই লোকটার হাতে সাপ দেখা যাচ্ছে। তাহলে কি আমার হাতেও?

দ্রুত নিজের হাতের দিকে তাকাই। হাতটা যতদূর সম্ভব ঘুরিয়ে মাথাটা নুইয়ে দেখি অবাক কান্ড! আমার হাতেও সাপ দেখা যাচ্ছে! বিষাক্ত ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক বাম্বা সাপ!

লোকটা এবারও হেসে উঠে। বলে, "হাত দেখছেন? আপনার হাতে এটা কী করে এল জানতে চাইবেন না?"

আমি বিস্মিত হয়ে তার দিকে তাকাই। তার মানে সে জানে আমার হাতে ট্যাটু কী করে এসেছে!

লোকটা অভিজ্ঞ গলায় বলে, "আমি যখন আপনার হাতে ট্যাটুটা বসিয়ে দেই তখন আপনি বাসে বসে বসে ঘুমাচ্ছিলেন। তাই টের পাননি। যদিও ট্যাটু বসানোর আগে মেডিসিন লাগিয়ে দিয়েছিলাম। নাহলে চামড়া পুড়ে গেছে একটু হলেও টের পেতেন, ঘুম ভেঙে যেত।

"তাহলে আপনিই ট্যাটুটা এঁকেছেন আমার হাতে!"

"আঁকিনি মিস্টার। অত সময় কই? আমি শুধু বসিয়েছি। নকশা করা ছিল, সেটাতে অ্যাসিড ঢেলে আপনার হাতে চাপ বসিয়ে দিয়েছি।"

"কিন্তু কেন? কেন এমন করেছেন আপনি?"

এই প্রশ্ন শুনে লোকটা কঠিন হয়ে এল। প্রথমে পিশাচের মতো হাসল। তবে নিঃশব্দে। বলল, "যাতে আপনার ডেডবডিতে এই চিহ্ন পাওয়া যায়।"

"মানে!"

"মানে আমি এখন আপনাকে খুন করব।"

ঠিক এমন সময় একদল পুলিশ উপস্থিত হলো। লোকটার দিকে পিস্তল তাক করেছে। একজন এগিয়ে এসে লোকটার হাতে হ্যান্ডকাপ লাগাচ্ছে। বিদ্যুৎ নেই। ফ্ল্যাশলাইটের আলোয় লোকটার জ্বলন্ত চোখদু'টো আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম। তার চোখ থেকে যেন আগুন ঝড়ছে! সে দাঁতে দাঁত পিষে বলল, "ভাবিস না তুই বেঁচে যাবি। এই পুলিশ আমার কিচ্ছু করতে পারবে না। কিচ্ছু না।"

ভাগ্যিস দারোয়ানের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম। আমি নিজেও পুলিশ। আপাতত অফ ডিউটিতে আছি তাই অন্যের সহায়তা নিতে হলো৷ সময়মতো পুলিশ বন্ধুটি চলে এসেছে বলে বেঁচে গেছি। নাহলে আমাকেও আজ লাশ হতে হত!

কিন্তু একটা জিনিস কিছুতেই ভেবে পাচ্ছিলাম না, ওই লোকটা কেন আমাকে মারতে চাইবে? আমি কী এমন ক্ষতি করেছি তার?

বিছানায় কিছুক্ষণ গড়াগড়ি করেও ঘুম এল না৷ হাঁসফাঁস লাগছে। এত আতঙ্ক নিয়ে ঘুমানো যায় না। অগত্যা জানালার কাছে এসে দেখি দারোয়ানের লাশটা এখনও আগের জায়গায় পড়ে আছে। অথচ এতক্ষণে আরো লোকজন আসার কথা! অ্যাম্বুলেন্স চলে আসার কথা! এমন কিছুই নেই। পুলিশের গাড়িটাও আগের জায়গায় থেমে আছে৷ ব্যাপার কী?

জানালার কাছে দাঁড়িয়ে রইলাম অনেক্ষণ। আরো বিশ মিনিট। তারপর আরো কিছুক্ষণ। পুলিশের গাড়িটা নড়ছেই না। আমি বুঝতে পারছি না ওরা এভাবে চুপ মেরে বসে আছে কেন? আসামির সাথে আড্ডা মারছে নাকি!

বিছানার পাশের টেবিলের ড্রয়ার টান দেই।

একটা লাইসেন্সবিহীন রিভলভার। গেল বছর একটা বড়ো দুর্নীতি করে এটা উপহার পেয়েছি। সেইফটির জন্য এটা সব সময় সঙ্গে রাখি। সরকারি পিস্তল দিয়ে গুলি চালালে হিসেব দেওয়া লাগবে। কিন্তু এই পিস্তল থেকে বুলেট বেরোলে কেউ আমাকে জেরা করতে পারবে না। তাই সব সময় এটা সাথে রাখি। আজও এটা সঙ্গে নিয়েই বেরিয়ে পড়লাম।

পুলিশের গাড়ির খুব নিকটে এসেও আমি পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পারিনি। একেবারে কাছে এসে দেখি, সব ক'টা পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছে! জেগে আছে শুধু আসামিটা! লোকটা আস্তে করে মুখ তুলে আমার দিকে তাকাল। তারপর খুবই দুঃখিত ভঙ্গিতে বলল, "সবগুলোকে মেরে ফেলেছি।"

কথা শুনেই আমার ভেতর হিম হয়ে গেল। নিরীক্ষা করে দেখি সত্যি সত্যি সবাই মরে পড়ে আছে! সকলে বিষ খেয়েছে! আসামি লোকটা এবার মুখ দিয়ে চোঁ চোঁ শব্দ করে বলল, "বলেছিলাম আমার ব্যাগের ভেতরে অনেকগুলো বিষের বোতল আছে। বিষাক্ত সাপের বিষ। ওগুলো পেটে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু। ওরা জেনেশুনে বিষ খেল! কী মর্মান্তিক!"

আমি আমার পিস্তলটা ওই লোকের দিকে তাক করে বললাম, "কী করলি তুই! এতগুলো পুলিশের লোক মেরে ফেললি!"

"আমি কিন্তু বলেছিলাম বোতলে বিষ আছে। তবুও সবাই খেল। আপনিও খাবেন নাকি? বিষ!" বলে খিকখিক করে হেসে উঠে লোকটা। আমি পিস্তল তাক করে বলি, "কাছে আসবি না! একদম গুলি করে দিব!"

লোকটা ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে বলে, "আপনি গুলি করতে পারবেন না। কারণ আপনার পিস্তলে বুলেট নেই।"

লোকটার কথায় অবাক হয়ে ট্রিগার চেপে দেখি সত্যি সত্যি গুলি নেই! লোকটা হেসে বলে, "যাকে খুন করব তার ব্যাপারে এইটুকু জ্ঞান রাখব না? তার যে একটা গুপ্ত পিস্তল আছে তা জানব না?"

বলতে বলতে সে গাড়ির ভেতর থেকে নেমে আসে। আমার কাঁধের উপর হাত রেখে বলে, "ক্যালিফোর্নিয়ার একটা বাসায় আমি কুকুর রাখার কাজ করতাম। ওই বাড়িতে একটা বুড়ি ছিল। আর তার কুকুর। আমার কাজ ছিল কুকুরটাকে প্রতিদিন গোসল করানো, সময়মতো খাবার খাওয়ানো, সেটাকে নিয়ে হাঁটতে বেরোনো ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই কুকুরের মালিক অর্থাৎ বৃদ্ধ মহিলা একটা জাদু জানত। মানুষকে বশ করার জাদু। সবাই যেটাকে হিপনোটিজম বলে। ওই বুড়ি খুব সহজেই যেকোনো মানুষকে হিপনোটাইজ করে ফেলতে পারত। সেটা আমি তখনই প্রথম জানলাম যখন দেখলাম একটা ডাকাত বুড়ির কপালে পিস্তল ঠেকাল তখন বুড়ি ওই ডাকাতের কানের কাছে বিড়বিড় করে কী যেন বলল এবং কিছু সময়ের মধ্যে ডাকাত নিজেই নিজের পায়ে গুলি করে পালিয়ে গেল! আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম, বুড়ি মা, কীভাবে পারলে তুমি? বুড়ির ওখানে বিশ বছর চাকরি করেছি। ততদিনে বুড়ি আমাকে সব শিখিয়ে দিয়েছে। একদিনে হয়নি। বিশটা বছর সময় লেগেছে। সবশেষে গেল বছর বুড়ি মারা যায়। আমি চলে আসি দেশে। তবে কাউকে জানিয়ে আসিনি। ভেবেছিলাম মাঝরাতে সবাই যখন গভীর ঘুমে তখন ঘরের দরজায় নক করব। সকলে আমাকে দেখে মনে করবে স্বপ্ন দেখছে!"

থামল লোকটা৷ আমি হা করে তাকিয়ে আছে৷ সে লম্বা শ্বাস ছেড়ে ফের বলতে শুরু করল, "যে রাতে আমি বাড়িতে এলাম, রাতের তখন দুইটা। সকলে ঘুমিয়ে পড়েছে ভেবে বাড়ির সামনে যখন এসেছি, এসে দেখি হায়! পুরো বাড়ি দাউদাউ করে আগুনে পুড়ছে! আমি হতবাক। চিৎকার দেবার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম। ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দিব সেই চিন্তাও মাথায় আসেনি তখন। তবে সেই সময় একটা বিরল দৃশ্য দেখতে পেয়েছিলাম। দূর থেকে দেখেছিলাম, কয়েকটা লোক বেশ মজা করে আগুন দেখছে। ওদের মধ্যে দু'জনের হাতে তেলের গ্যালেন। বাকিরা খালি হাতে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছে। আমার বুঝতে বাকি রইল না যে ওরাই আগুন দিয়েছে। সেই মানুষগুলো কারা জানেন?"

প্রশ্ন করে লোকটা তার আগুনের মতো চোখদু'টো আমার চোখের উপর রাখল। ততক্ষণে আমার বোঝা হয়ে গেছে সবকিছু। কারণ গত এক বছর আগে ওই বাড়িতে আগুন দেওয়া লোকজনের মাঝে আমিও ছিলাম। দু'জন পুলিশের লোক ছিল সাথে। আর আমার বাড়ির দারোয়ান। সেই কাজের জন্য আমরা পাঁচ কোটি টাকা পেয়েছিলাম। দারোয়ানকে এক লক্ষ টাকা দিয়ে বাকি টাকা আমরা মেরে দেই।

"আমার ভাই রাজনীতি করত। শত্রুতা তাঁর সাথে ছিল। এজন্য অপর পক্ষের লোকজন আমার পুরো পরিবারকেই শেষ করে দিলো! কী দোষ ছিল আমার ভাবির? বৃদ্ধ মায়ের? কী দোষ করেছিল আমার চার বছরের ভাতিজা? জবাব আছে মিস্টার পুলিশ অফিসার কাম মানুষের সেবা করার নামে ঘুমন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারা জানোয়ার? জবাব আছে আপনার কাছে?"

আমি কথা বলতে পারছি না। লোকটা নিচু এবং ক্লান্ত গলায় বলল, "তোকে মারার আগে এই চিহ্নটা তোর হাতে ক্লু হিসেবে বসিয়ে দিয়েছিলাম। যাতে একদিন না একদিন পুলিশ আসল সত্যটা জানতে পারে। পুলিশের মাঝেও যে কত নিকৃষ্ট লোক আছে তা জানতে পারে। এই হত্যাকান্ডের সাথে যে বা যারা জড়িত ছিল সবাইকে আমি মেরেছি। তবে নিজ হাতে মারিনি। হিপনোটাইজ করেছি। বলেছি তুই মর। ওরা স্বেচ্ছায় মরেছে। এবার তোর পালা। তোকে আমি হিপনোটাইজ করব না। তোকে তোর বিবেকের কাছে ছেড়ে যাব।" বলতে বলতে সে তার ব্যাগ থেকে একটা কাচের শিশি বের করে দিলো। সেটাতে লেখা, "পয়জন।"

"তুই তোর বিবেকের কাছে প্রশ্ন কর। তুই যা করেছিস তার জন্য কি তোর শাস্তি পাওয়া উচিত? বিবেক যদি হ্যাঁ বলে তাহলে তুই বিষটা খেয়ে নিবি। হ্যাপি অ্যান্ডিং।"

মানুষটা হেঁটে হেঁটে অন্ধকারে হারিয়ে গেছে। আমার পুরো শরীর ঘামে ভিজে গেছে। হাত-পা থরথর করে কাঁপছে। চোখদু'টো ঝাঁপসা। গত ক' বছরের সার্ভিসে আমি অসদুপায়ে অনেক টাকা ইনকাম করেছি যাতে ভবিষ্যতে শান্তিতে থাকতে পারি। সেই টাকাগুলো পড়ে আছে ব্যাঙ্কে। আর আমি, আমি আমার ভবিষ্যত একটা ছোট্ট ঘর, মাত্র সাড়ে তিন হাত আকারের মাটির ঘরের ভেতরে দেখছি। দুঃখে চোখদু'টো ভিজে আসছে বারবার। নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করলাম, মানুষ কতটা নীচ হলে ঘুমন্ত প্রতিবেশীকে পুড়িয়ে মারতে পারে? কতটা জঘন্য হলে...

ভোর হবার আগে কাচের শিশি মুখে লাগিয়ে বিষটুকু গিলে ফেললাম। গলা দিয়ে যেন আগুন নামছে, নাড়িভুঁড়ি সব জ্বলে যাচ্ছে। ধপাস করে মাটিতে পড়ে গেলাম। আস্তে আস্তে চোখ বুজে এল। কালেমা পড়ার কথা মনে নেই!

সমাপ্ত

মো. ইয়াছিন

পর্ব শেষ
ইয়াছিন নাইম

লেখা

ভৌতিক ও অতিপ্রাকৃত ধারাবাহিক গল্পের লেখক

ফেসবুকে মূল পোস্ট

সব পর্ব দেখুন

আরও গল্প

এই সিরিজের বাইরে, একই স্বাদের

সব গল্প
মিষ্টির দোকান

মিষ্টির দোকান — পর্ব ৭

(An Original Story by Yeasin Nayeem) বড়ো হুজুরের মৃত্যুর সংবাদ শুনে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। একটু আগে আমি তাঁর সাথে কথা বলে এসেছি। তিনি আমাকে কত ভালোভালো কথা বলেছেন। আর এখন শুনছি বড়ো হুজুর নেই! তাহলে আমি যার সাথে কথা…

২০ অক্টোবর ২০২৬৭ মিনিট পড়া
ফিচার্ড
মিষ্টির দোকান

মিষ্টির দোকান — পর্ব ৬

আমাদের বাড়ি নিয়ে নতুন একটা গুজব ছড়িয়েছে। এমনিতেই লোকে বলত বাড়িতে নাকি জিন আসে। এখন আরেকটা যুক্ত হয়েছে। আগে অন্তত দিনের বেলা লোকজন এদিকে আসত। এখন সেটাও হয় না। দুপুরের কড়া রোদেও কেউ আসতে চায় না। আব্বার দোকানে মাঝেমাঝে খদ্দেররা আস…

১৯ অক্টোবর ২০২৬৫ মিনিট পড়া
মিষ্টির দোকান

মিষ্টির দোকান — পর্ব ৫

আমার দিকে ঘুরে তাকালো নূর ইসলাম ভাই। তখনও তার দুই হাতে কাচা গোবর লেগে আছে। জিহ্বা দিয়ে হাত চাটতে চাটতে উঠে দাঁড়ালো। এই প্রথম তার চোখের এমন অস্বাভাবিক রং দেখলাম। আমার নিঃশ্বাস দ্রুত উঠানামা করতে লাগলো। কপাল ভালো আগেভাগে বেড়ার পেছনে নিজেকে…

১৮ অক্টোবর ২০২৬৪ মিনিট পড়া