দি অ্যানিমেল — পর্ব ১২
ইয়াছিন নাইম২ ডিসেম্বর ২০২৫৭ মিনিট পড়াষোলো কিংবা সতেরো বছরের এইটুকুনি একটি মেয়ে। খুবই সাধারণ ছিমছাম গড়নের দেহের অধিকারী এবং অতি সুন্দরী হওয়ায় বিশ্বাসই হচ্ছিল না যে, মেয়েটি এত সাহসী, এত নির্ভীক, নির্লিপ্ত! আরো একটা ব্যাপার আছে। এই মেয়েটির জায়গায় অন্য কেউ নিলে নির্ঘাত কেঁদে মরত। কারণ তার একমাত্র আপনজন তার বাবা। সেই মানুষটাকেই অদ্ভুত প্রাণীরা তুলে নিয়ে গেছে। এতক্ষণে হয়তো তিনি আর বেঁচে নেই। অথচ মেয়েটি একটুও কাঁদছে না। তার বিশ্বাস, সে এখনই নিজের বাবাকে মুক্ত করে নিয়ে আসবে। কিন্তু ওপারের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ, কতটা বিপদ উদ্-গ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে, কতশত ভয়ানক প্রাণীরা ওত পেতে বসে আছে সেই ধারণা বোধ করি মেয়েটির নেই।
টলটলে জলের ভেতর থেকে হেঁটে হেঁটে তীরে উঠে গেল সে। আমি যাচ্ছি তার পিছু পিছু। পায়ের শব্দে নির্জনতার ঘুম ভেঙে যায় এই ভয়ে অতি সাবধানে এগোতে হচ্ছে। মানুষহীন মৃত শহরের বুকে গভীর রাতে দু'টো মানুষ নেমে এসেছে এটা যেন কোনো কীটপতঙ্গ-ও টের না পায় এমন ভঙ্গিতে হাঁটছি আমরা। চারপাশে কত বাড়িঘর, কত যানবাহন, কত দোকানপাট, রাস্তা, ল্যাম্পপোস্ট, ড্রেন, ডাকবাক্স যা যা চোখে পড়ে সবকিছু আজ ফেলনা। পড়ে থাকতে থাকতে গাড়িতে জমেছে ধুলো, ড্রেনে জমেছে শুকনো মরা পাতা, যানবাহনগুলো আজ পড়ে থাকতে থাকতে অকেজো। রাস্তা, পিচঢালা রাস্তার বুকে উঠেছে বড়ো বড়ো ঘাস। প্রকৃতির এই করুণ পরিবর্তন দেখতে দেখতে কখনো সখনো দাঁড়িয়ে পড়ছিল মেয়েটি।
আমি ভালো নেই।
আর এগিয়ে যাওয়ার শক্তি নেই। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে আমি বিধ্বস্ত। চলতে হবে বলে চলছি। এই মুহূর্তে হঠাৎ কতগুলো প্রাণী এসে আমার দেহটা ছিন্নভিন্ন করে ফেললে আমি খুব একটা অবাক হব না। আফসোসও থাকবে না। কারণ আমি একবার এখান থেকে প্রাণ নিয়ে ফিরে যেতে পেরেছিলাম। এটা আমার সেকেন্ড চান্স, বোনাস লাইফ; হিসেবের বাইরে জীবন। সুতরাং নিজেকে নিয়ে আমার ব্যস্ততা নেই। তবে খারাপ লাগছে এই ভেবে যে, আমাকে যিনি একদিন আশ্রয় দিয়েছিলেন, নদীর তীর থেকে তুলে নিয়ে নিজের ঘরে ঠাঁই দিয়েছিলেন, সেই মানুষটি আজ আমারই কারণে মৃত্যুপথযাত্রী। আজকের পর আর কোনো ভোর তাঁর জীবনে আসবে কি না জানা নেই।
এতটা পথ চলে আসার পরও কোনো প্রাণীর দেখা মিলেনি বলে একটু অবাক লাগছিল৷ তাহলে কি প্রাণীগুলো তাদের নিত্যদিনের কাজ সেরে ফেলেছে? তুলে আনা মানুষটিকে জঘন্যভাবে খুন করে ফেলেছে?
আমার ধারণাই সত্যি হলো। অনেকটা পথ চলে আসার পর রাস্তায় একটা ছিন্নভিন্ন লাশ পাওয়া গেল। মেয়েটা লাশের দিকে ঝুঁকে কী যেন দেখল, তারপর তিন লাফে দূরে সরে গিয়ে চাপা আর্তনাদ করে আঙুলের ইশারায় লাশ দেখিয়ে বলল, "আব্বু। আমার আব্বু।"
এইবার সে কাঁদছে। খুব কাঁদছে। তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার সাধ্য আমার নেই। তবে তার কান্না দেখে আমারও খুব মন খারাপ হলো। যদিও আমার এতদিন কেউ ছিল না। আমি এতিম, একলা একটা মানুষ। তবে আজ এই মুহূর্তে আমার মনে হলো, এই মানুষটা আমার আপন কেউ ছিল। এজন্যই চোখে জল আসছে।
দীর্ঘশ্বাস ছাড়তে গিয়ে অজান্তেই বলে ফেলেছিলাম, "মেজর এতটা নির্দয় লোক, ছিঃ!"
মেয়েটা কান্নাভেজা গলায় প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়, "মেজর কে?"
"মেজর জোবায়েদ। যার নির্দেশে আপনার বাবা খুন হয়েছেন।"
সঙ্গে সঙ্গে ফুলে উঠে মেয়েটি। চোখ মুছে বলে, "তাই নাকি? কোথায় থাকে সেই কুকুরটা?"
আমি আঙুল দিয়ে ইশারা করি দূরের ওই বিল্ডিংয়ের দিকে, যেখানে মেজর জোবায়েদ থাকেন। বলি, "ওই বাসায়।"
মেয়েটি আর একটি কথা না বলে এগিয়ে যেতে থাকে। আমি অবাক হয়ে ডাকি, "কোথায় যাচ্ছেন?"
একবার পেছন ফিরে তাকায় মেয়েটি। ধরা গলায় জানিয়ে দেয়, "আজ আমি মরব নাহয় ওই কুকুর মরবে।" ফোঁস করে কথাটা বলেই সামনে অগ্রসর হতে থাকে। অথচ আমি জানি, মেজরের বিল্ডিংয়ের কাছাকাছি ওইসব প্রাণীরা থাকে। হয়তো বিল্ডিংয়ের ভেতরেও থাকে। সুতরাং ওদিকে যাওয়া মানেই স্বেচ্ছায় মৃত্যু ডেকে আনা!
অফিসার হাবিবকে সম্মান জানিয়ে চলে এসেছেন ক্যাপ্টেন আসিফ ও ক্যাপ্টেন মারুফ। তাঁদের রিসার্চ-রুমে প্রায় দু'শো প্রাণী মরে পড়ে আছে। বাইরে যে-কয়টা ছিল, সবগুলোকে গুলি করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।
এই শহর সুস্থ, স্বাভাবিক। শহর থেকে একটু দূরে একটা খাল। আকারে নদীর মতো খাল পেরোতে হলে যা দরকার, অর্থাৎ বুট, নৌকা এসবের কিছুই নেই। পথ একটাই, সাঁতরে ওপারে যেতে হবে। কিন্তু এভাবে অস্ত্র নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। তাই নিজেরা মিলে একটা মাঝারি আকারের ভেলার মতো তৈরি করে নিলেন তাঁরা। অতঃপর সেই ভেলাতেই ভারী অস্ত্র বোঝাই করে রওনা দিলেন।
নাইট ভিশন বাইনোকুলার দিয়ে দূর দূর পর্যন্ত কোনো প্রাণীর দেখা মিলল না। তবে এগিয়ে যেতে যেতে একসময় থেমে গেলেন ক্যাপ্টেন আসিফ। একটা প্রাণী রাস্তার উপর ঘুমাচ্ছিল৷ অন্ধকারে সেটা খেয়াল না করেই প্রাণীটার হাতের উপর পা দিয়েছেন তিনি। প্রাণীটা সঙ্গে সঙ্গে ইয়া বড়ো থাবা বসিয়ে দিতে যাচ্ছিল আসিফের বুকে। একটুর জন্য ক্যাপ্টেন আসিফ মারা পড়তেন। কিন্তু তার আগেই গুলি চলল৷ ক্যাপ্টেন মারুফের গুলির আঘাতে এক পলকে শান্ত হয়ে গেল প্রাণীটা৷ সাইলেন্সার আছে বলে শব্দ হয়নি। আর কোনো প্রাণী টের পায়নি। দু'জনে এবার আরো সতর্ক হয়ে এগোচ্ছেন।
একবার থেমে গিয়ে ম্যাপ দেখে নিলেন ক্যাপ্টেন আসিফ। তারপর সামান্য বাঁ দিকে এগিয়ে চলার নির্দেশ দিলেন৷ একটু দূরেই চারতলা সেই বিল্ডিংটা, যেখানে মেজর জোবায়েদ আছেন৷ আসিফ এবং মারুফের টার্গেট এখন স্বয়ং মেজর জোবায়েদ। কারণ তারা যতদূর রিসার্চ করে জেনেছেন, জোবায়েদ আছেন বলেই প্রাণীগুলো এত ভয়ঙ্কর। নাহলে ওরা শান্তশিষ্ট হওয়ার কথা। তাছাড়া ওরা মানুষ খুন করা তো দূর, একটা মুরগি পর্যন্ত মারবে না। কারণ রক্ত-মাংসের প্রতি তাদের লোভ নেই৷ তাদের এক এবং একমাত্র খাবার হচ্ছে লতাপাতা, ফলমূল এইসব।
বাড়ির ভেতরে ঢুকতে হলো খুবই সতর্কতার সহিত। একতলা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু দোতলায় উঠতে গিয়ে সিঁড়িতে চোখ আটকে যায় তাঁদের। আসিফ এবং মারুফ দু'জনেই পূর্ণ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক্স মিলিটারি। দু'জনের হাতে আছে দুনিয়ার সবচে' অত্যাধুনিক, সবচে' ভয়ানক অস্ত্র। তবুও থেমে গেলেন তাঁরা। তবুও গুলি চালাতে সাহস হলো না তাঁদের। কারণ মাত্র তিন হাত দূরে একটা বিশাল প্রাণী ওত পেতে দাঁড়িয়ে আছে। সেটার চোখ সরাসরি ক্যাপ্টেন আসিফের চোখ বরাবর। দৃষ্টি একটু নড়ে গেলেই এক মুহূর্তের ব্যবধানে আসিফের প্রাণ চলে যেতে পারে। মারুফ গুলি করতে যাচ্ছিলেন, তখনই আরো কয়েকটা প্রাণী উপরতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে লাগল।
ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে তারা৷ ওদের মধ্যে একটুও অস্থিরতা নেই। আসিফ এবং মারুফ একটুও নড়ছেন না। লোহার মতো দাঁড়িয়ে আছেন। দু'জনের কপালে ঘাম জমেছে। দু'জনেই একদৃষ্টে চেয়ে আছেন। মৃত্যু আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড দূরে। চোখের পাতা এক করলেই প্রাণপাখি উড়ে যাবে নিশ্চিত।
প্রথম প্রাণীটা লম্বা করে নিঃশ্বাস নিল৷ তারপর ধীরে ধীরে যেন তার মধ্যে প্রবল হিংস্রতা ভর করতে লাগল। আস্তে আস্তে সে উঠে দাঁড়াল। বাঁ হাত উঁচু করে যেই না থাবা বসাবে, ঠিক এমন সময় উপরতলায় গুলি চলল। মুহূর্তেই পরিস্থিতি বদলে গেল। প্রাণীগুলো হন্তদন্ত হয়ে উপরতলায় ছুটে গেল। সাথে ক্যাপ্টেন আসিফ এবং মারুফও ছুটে গেলেন। তিনতলায় ছুটে গিয়ে একটা বিরল দৃশ্য চোখে পড়ল তাঁদের।
মেঝেতে ওলট-পালট হয়ে পড়ে আছেন মেজর জোবায়েদ। তাঁর গুলিবিদ্ধ মাথা থেকে টকটকে লাল রক্তে ভেজে যাচ্ছে চারপাশ। হাত তিনেক দূরে পিস্তল হাতে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি মেয়ে। এবং মেয়েটির পাশেই ভীত সন্ত্রস্ত একটি ছেলে কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়ে।
এমন কিছু হয়ে যাবে আমি কল্পনাও করিনি।
লুকিয়ে লুকিয়ে তিনতলা পর্যন্ত উঠে আসার পর এই পুঁচকে মেয়েটি মেজরের রিভলবার দিয়ে মেজরকেই গুলি করে দিলো! মেজর জোবায়েদের মৃতদেহটা আমার সামনেই পড়ে আছে। গুলি করার পর এ-ঘরে বেশ কয়েকটি প্রাণী ছুটে এসেছে। সঙ্গে দু'জন মানুষও এসেছেন। তাঁদেরকে দেখতে অনেকটা আর্মিদের মতো মনে হচ্ছে। আমি যেমন অবাক হয়েছি, ঠিক তেমনি অবাক হয়ে তাকাচ্ছে প্রাণীগুলো। তারা হয়তো ভাবছে, তাদের মুনিব আর নেই। এবার তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করবে কে?
আর্মির মতো দু'জন একাধারে গুলি করে অসংখ্য প্রাণী মেরে ফেললেন৷ ওরা আক্রমণ করা তো দূর, একটু নড়লও না। যে যার মতো গুলি খেয়ে লুটিয়ে পড়তে লাগল৷ আর্মির মতো দু'জন তাঁদের পরিচয় দিলেন৷ একজন ক্যাপ্টেন আসিফ আর দ্বিতীয়জন ক্যাপ্টেন মারুফ। তাঁদের সঙ্গে যখন রাস্তায় বেরিয়ে এসেছি, তখন ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। অদ্ভুত প্রাণীগুলো দিনের আলোয় চোখে কম দেখে তা-ও নিজেদের মুনিবের মৃত্যুসংবাদ ওরা কীভাবে যেন পেয়ে গেল। সবাই একসঙ্গে হেঁটে হেঁটে এগিয়ে এল এদিকে। আর ক্যাপ্টেন আসিফ এবং মারুফ গুলি করতে থাকলেন।
সবার শেষে এল বাচ্চা প্রাণীটা, যেটাকে একবার আমি বাথরুমে আটকে রেখেছিলাম। সেটা আমার গায়ের গন্ধ কীভাবে টের পেল কে জানে! আর কারোর দিকে না গিয়ে সোজা আমার কাছে এসেই নিজেকে সমর্পণ করল। আমার কাঁধের কাছে মুখ ঘষতে ঘষতে গোঁত গোঁত আওয়াজ করতে লাগল। অর্থাৎ তার আদর চাই। আমি পিঠে হাত দিয়ে আদর দিতে লাগলাম। তখনই ক্যাপ্টেন আসিফ পিস্তল তাক করলেন। আমি বললাম, "এটাকে না মারলে হয় না?"
তিনি বেজার মুখে জানালেন, "এটা শান্তশিষ্ট ঠিকই আছে। তবে যেকোনো সময় আবার হিংস্র হয়ে উঠতে পারে। এই একটা প্রাণীর জন্য পুরো শহর, পুরো দেশের মানুষের জীবনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে পারে। আপনি কি তা-ই চান?
এ-কথার জবাব হয় না। কিন্তু এই প্রাণীটার জন্য খুব খারাপ লাগছিল আমার। প্রাণীটা যখন গুলি খেয়ে ছটফট করতে করতে মরে গেল তখন অজান্তেই চোখের কোলে জল জমে গেল। মনে হলো যেন, খুব আপন একটা প্রাণীকে হারিয়ে ফেলেছি৷ যে প্রাণীটা আসলে ভয়ঙ্কর নয়, ভয়ঙ্কর হলো অদ্ভুত মানুষগুলো। যারা নিজের স্বার্থের জন্য অবুঝ প্রাণীদেরকে ব্যবহার করতে দু'বার ভাবে না।
শেষমেশ প্রাণীটার জন্য ফুঁপিয়ে কাঁদলাম আমি। ইশ! আদর পাবার জন্য কী আদুরে সুরে গোঁত গোঁত করে ডাকত! এই প্রাণীটার নাম জানা নেই। কখনো নাম দেওয়াও হয়নি। একে আমি "সেই প্রাণী" হিসেবেই জানি। অর্থাৎ "দি অ্যানিমেল"
টানা তিনদিন আলাদা দু'টো ঘরে আটকে রাখা হলো আমাদের। দফায় দফায় জেরা করা হয়ে গেলে আজ তিনদিন পর ছেড়ে দেওয়া হলো। রাস্তায় নেমে এসে থমকে দাঁড়াল মেয়েটি৷ আমি বললাম, "কী হলো? চলুন!"
"কোথায় যাব? কার কাছে যাব?"
"কারোর কাছে যেতে হবে না৷ আমার সাথে চলুন।"
"আপনার সাথে?"
"হুম, আমার সাথে। আমার রাজপ্রাসাদে।" বলে তার মুখোমুখি দাঁড়ালাম। নিজেকে দেখিয়ে বললাম, "এই ছোট্ট মানুষটা তার রাজপ্রাসাদে আপনাকে রানি করে রাখতে চায়। আপনি শুধু তিনবার কবুল বলবেন।"
মেয়েটি চোখ নামিয়ে নিলো।
"আমি জানি আপনার বয়স কম। তাই আপনার আঠারো বছর হওয়া অবধি আমরা আলাদা আলাদা থাকব। তবে কোনোকিছুতে আপনার কমতি হতে দেব না। চলবে তো?"
মেয়েটি মুখ লুকিয়ে মিটিমিটি হাসছে। এর মানে কী? সে রাজি? কে জানে!
সমাপ্ত
গল্প : দি অ্যানিমেল
লেখক: মো. ইয়াছিন
[গল্প দিতে গিয়ে কখনো কখনো অনেক দেরি করেছি আমি। আবার পর্বগুলোও খুব ছোটো ছোটো ছিল। এজন্য অনেকে বিরক্ত হয়েছেন। এসব ব্যাপারে আমি খুবই লজ্জিত এবং দুঃখিত।]
গত পর্বের লিংক : https://www.facebook.com/100054727422264/posts/505944514573125/?app=fbl