অচিনপুরের রাজকন্যা — পর্ব ৬
ইয়াছিন নাইম১৪ ডিসেম্বর ২০২৫৮ মিনিট পড়াপৃথিবীবিখ্যাত বেন টেনিসন!
যে কি না হাতঘড়ির মতো একটা যন্ত্র (ওমনিট্রিক্স) দিয়ে চোখের পলকে বিভিন্ন ধরণের এলিয়েন হয়ে যেতে পারে!
নামকরা সেই বিখ্যাত সুপারহিরো, যাকে ছোটোবেলায় কেবলমাত্র কার্টুন নেটওয়ার্কে দেখে আসা কার্টুন ভাবা হয়েছে, সেই বিখ্যাত বেন টেনিসন এখন সাদাফের সামনে দাঁড়িয়ে!
বেন এগিয়ে এসে সাদাফের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। তার চেহারায় বরাবরই আত্মবিশ্বাসের ছাপ থাকে। আজও আছে। সাদাফের চোখে চোখ রেখে সে বলে, "হেই মিস্টার সাদাফ! আপনি নিশ্চয়ই আমাকে চেনেন? আমি বেন..."
বিস্ময়ে সাদাফের চোখ গোল!
সে আনমনে বলে উঠে, "অবশ্যই আপনাকে চিনি! এমনকি আমি আপনার অনেক বড়ো ভক্ত... কিন্তু আপনি আমার নাম জানলেন কী করে? ওমনিট্রিক্সে নতুন ফিচার এসেছে? চেহারা দেখে নাম পড়া যায়?"
"হ্যাঁ, শুধু নাম না, চেহারা দেখে অনেক কিছুই জানা যায়। কিন্তু এই গ্রহের প্রাণীদের সাথে আপনার মিল খুঁজে পাচ্ছি না। আপনি কি অন্য কোথাও থেকে এসেছেন?"
সাদাফ জবাব দেওয়ার আগেই টেনিসনের ফোন বেজে উঠে। রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে গুয়েনের চিৎকার শোনা যায়, "বেন! আজকেও তুমি লেট! অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে জুলির টেনিস ম্যাচ শুরু হবে। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে যদি তুমি এখানে আসতে না পারো তাহলে জুলি তোমার সাথে ব্রেকআপ করবে। পার্মানেন্ট ব্রেকআপ। সাথে আমরাও তোমার সাথে বন্ধুত্ব রাখব না। বোঝা গেছে?"
"আমি কিছু অসহায় এলিয়েনদের জীবন বাঁচাতে ব্যস্ত ছিলাম গুয়েন! আমি একজন সুপারহিরো। পুরো পৃথিবী এবং পৃথিবীর বাইরের সমস্ত প্রাণীদেরকে বিপদ থেকে রক্ষা করাই আমার কাজ। সামান্য টেনিস ম্যাচের জন্য আমি আমার কাজ থেকে দূরে যেতে পারি না।"
"সামান্য! জুলির টেনিস ম্যাচ তোমার জন্য সামান্য! মেয়েটা তোমাকে এত ভালোবাসে। আর তুমি..."
"ওকে বাবা! আসছি। আশা করি ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই পৌঁছে যাব।"
"ধানাইপানাই চলবে না। তাড়াতাড়ি এসো।"
ফোন কেটে গেলে লম্বা শ্বাস ছাড়ে টেনিসন। বলে, "আপনার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগল মিস্টার সাদাফ। আসছি।" বলেই বাঁ হাতে পরা ওমনিট্রিক্সের ওপর ক্লিক করে সে। স্ক্রিনের ওপর বাদুড়ের মতো একটা দৃশ্য ভেসে উঠতেই সেটাতে ক্লিক করে। অতঃপর চোখের পলকে সে বাদুড় হয়ে উড়ে যায়।
সাদাফ আবারো একা হয়ে পড়ল। চারপাশে অসংখ্য এলিয়েন দাঁড়িয়ে। তাদের ভীষণ আগ্রহ সাদাফের ওপর৷ কারণ বিখ্যাত বেন টেনিসন আর কারোর সাথে কথা না বলে সাদাফের সাথে কথা বলেছেন। তার মানে কি উনি সাদাফকে চেনে? সাদাফ কি তাঁর পরিচিত কেউ? বিস্ময়ে কয়েকটি এলিয়েন এগিয়ে আসে। একজন বলে, "মিস্টার টেনিসন আপনার পরিচিত?"
সাদাফ আমতা আমতা করছিল। একজন বলে উঠল, "আমরা জানতাম না যে আপনি টেনিসন মহোদয়ের পরিচিত কেউ। জানলে কখনোই আপনাকে আসামির জায়গায় দাঁড় করাতাম না।"
আরেকজন বলে, "আমরা আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।"
ওরা ভেবেছিল একবার যখন টেনিসন ওই বিশাল মহাকাশযানটা তাড়িয়ে দিয়েছে, তাহলে সেটা আর ফিরে আসবে না। কিন্তু তাদের ধারণা মিথ্যে করে দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটা ফিরে এল! বোঁ বোঁ শব্দ করে মাথার উপর এসে দাঁড়িয়েছে স্পেসশিপটা! এলিয়েনরা উপরে তাকিয়ে আতঙ্কিত গলায় বলে উঠল, "বিপদ! মহা বিপদ!"
সেনাপ্রধান রেওবোকে অতিশয় বিচলিত দেখাচ্ছে। সে হাত কচলাতে কচলাতে বলল, "মহোদয়, আপনার মনে কী চলছে এখন? কেন বেন টেনিসনের মতো একজনের ধাওয়া খেয়ে আবার এখানে ফিরে এলেন? এই সামান্য জায়গাটা দখল নেওয়া কি এতই জরুরি?"
দলপতি অহুওয়ে বাঁকা দৃষ্টিতে তাকায় রেওবোর দিকে। সরু হেসে বলে, "তোমার কি মনে হয় এই সামান্য ভূমির জন্য আমি এখানে এসেছি? তা-ও পুরো ব্যাটালিয়ন নিয়ে?"
রেওবো চিন্তায় পড়ে গেল। ভূমির জন্য না! তাহলে কেন? কী এমন আছে এখানে? কমদামের সোনা, রূপা, হিরা আর কিছু বোকা, নিরীহ প্রাণী! এর বাইরে কী আছে আর?
রেওবো ব্যাকুল হয়ে বলে, "তাহলে কেন এখানে আক্রমণ করতে চাচ্ছেন মহোদয়?"
অহুওয়ে পরিষ্কার গলায় বলে, "রাজকন্যা লিলির জন্য।"
কথাটা স্পষ্ট শোনতে পেল রেওবো। তবুও সে নিজের কানকে বিশ্বাস করল না। ফের প্রশ্ন করল, "কীসের জন্য?"
অহুওয়ে আবারো বলল, "রাজকন্যা লিলির জন্য।"
"রাজকন্যা লিলি!"
"হ্যাঁ।"
"লিলি এখনও বেঁচে আছে!"
"আছে৷ জীবিত আছে এবং এখানে আছে।"
"কীভাবে সম্ভব? আমরা সবাই জানি যে, এই গ্রহের অচিনপুর রাজ্যে কিছুদিন আগে একটা বিরাট অ্যাক্সিডেন্ট হয়। তখন সেখানকার সবাই মারা যায়। একাধারে সবাই। কেউ বেঁচে নেই। তাহলে লিলি জীবিত থাকবে কীভাবে?"
"অ্যাক্সিডেন্ট নয় রেওবো। সেটা ছিল প্রি প্ল্যানড্ অ্যাটাক।"
"তার মানে?"
"মানে অচিনপুরোর কেউ অ্যাক্সিডেন্টে মরেনি। ওদের আকস্মিক মৃত্যুর পেছনে যে রহস্য, তা হচ্ছি আমি।"
রেওবো বিমর্ষ চোখে তাকায়। কেউ এতটা নির্দয় হতে পারে কীভাবে! রাজ্য দখল করার জন্য লোকে রাজা মারে, রাজ পরিবার খুন করতেও শোনা যায়। কিন্তু পুরো রাজ্যের সকল সদস্যকে খুন করে ফেলা!
"আপনি তার মানে অচিনপুর দখল করতে চাইছেন? তাহলে এখানে এসেছেন কেন? অচিনপুরে চলুন, সেখানে তো কেউ নেই, অনায়াসে দখল নেওয়া যাবে।"
অহুওয়ে তার হিরের তলোয়ারটা রেওবোর কাঁধের উপর রেখে বলে, "ততোটাও সহজ নয় রেওবো। অচিনপুরের প্রবেশদ্বার এখন তালাবদ্ধ। সেখানে কেউ ঢুকতে পারবে না। তবে..." বিকৃত হাসি দেয় অহুওয়ে। বিগলিত গলায় বলে, "রাজকন্যা লিলি সেদিন বেঁচে গিয়ে অচিনপুরের মূল প্রবেশদ্বারে তালা মেরে পৃথিবীতে পালিয়ে গিয়েছিল। মানুষের সাথে মিশে মানুষের মতোই জীবনযাপন করতে শুরু করেছিল। একটা মানুষকে বিয়েও করেছে। তাতে কি সে মানুষ হয়ে যাবে?"
থেমে আবার বলে, "বুঝলে রেওবো, আমার এখন রাজ্য, রাজকন্যা দু'টোই চাই। এজন্য আমি সবকিছু করতে রাজি।"
বিশাল স্পেসশিপটা ভূমি থেকে প্রায় একশো হাত উঁচুতে এখন।
সেটার ভেতর থেকে লম্বা সিঁড়ি নেমে গেছে বালির ওপর। সিঁড়ি ভেঙে নেমে এল অহুওয়ে। তার পিছু পিছু রেওবো। সাথে আরো কিছু সৈন্য।
সবাইকে "গান পয়েন্ট"-এ রেখে রাজকন্যা লিলিকে কারাগার থেকে মুক্ত করে আনা হলো। ওরা যখন লিলিকে অস্ত্রের মুখে রেখে টেনে টেনে নিয়ে আসছে, তখন লিলিকে দেখে অজান্তেই বুক কেঁপে উঠে সাদাফের! এ-তো লিলি নয়, তার বউ মিলি! চেহারাটা ঠিক থাকলেও মেয়েটার মধ্যে কিছু পরিবর্তন এসেছে। তার পিঠে বড়ো বড়ো দু'টো ডানা দেখা যাচ্ছে! মাথার ওপর চকচক করছে মহা মূল্যবান মুকুট। পরনে লেহেঙ্গা। তবে এমন লেহেঙ্গা সাদাফ জীবনেও দেখেনি। ভারী কালো মকমলের কাপড়ের ওপর বোধহয় এমন কোনো পাথর দিয়ে নকশা করা যা পৃথিবীতে নেই। নীলচে পাথর, খুব ছোটো ছোটো। তবে পাথরগুলোর দিকে তাকালে চোখে আগুন ধরে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়। তাকিয়ে থাকা যায় না।
আর ওর চোখ! চোখদু'টো কেমন নীলচে! মনে হচ্ছে স্বচ্ছ দিঘির জলের ওপর নীল আকাশের ছায়া পড়েছে। মোমের মতো দেহ। লম্বা নখ আর সবুজাভ চুল। এই তাহলে মিলির আসল চেহারা! এজন্যই ট্রেনে ওই লোকটা এক কোটি টাকা দিয়ে মিলিকে কিনতে চেয়েছিল! মাত্র এক কোটি! একশো কোটি দিলেও তো কম হত! এক হাজার কোটি হলেও! লক্ষ কোটি হলেও!
মিলি অর্থাৎ রাজকন্যা লিলি পুরোপুরি জেগে আছে এখন। চারপাশে তাকিয়ে সে ভরাট গলায় বলে, "কী চাও তোমরা?"
"তোমাকে বন্দি করতে চাই।" বলে বাঁকা হাসি দেয় অহুওয়ে।
"আমাকে বন্দি করবে? জানো আমি কে?"
অহুওয়ে শব্দ করে হেসে বলে, "তুমি রাজকন্যা লিলি। আমার ভবিষ্যৎ রানি।"
"বেয়াদব! তোমার সাহস কী করে হয়..." পুরো কথা বলার আগেই অহুওয়ে তার ধারালো তলোয়ারটা লিলির গলার উপর রেখে বলে, "এত তেজ ভালো না রাজকন্যা। অন্তত হবু বরের সাথে এতটা উঁচু গলায় কথা বলা ঠিক না।"
"পস্তাতে হবে কিন্তু!"
"সেটা পরে দেখা যাবে। আপাতত আমার সাথে চলো।" বলে হাত বাড়িয়ে দেয় অহুওয়ে। লিলির বাঁ হাত টেনে ধরে এগিয়ে নিয়ে যায়। তখনই সাদাফ পেছন থেকে চেঁচিয়ে উঠে, "শুনুন! আমি আপনাকে আশি লক্ষ টাকা দেব। বিনিময়ে আপনি আমার স্ত্রী'কে ছেড়ে দিন!"
অহুওয়ে ফিরে তাকিয়ে সরু দৃষ্টিতে তাকায় সাদাফের দিকে। বিদ্রুপ করে বলে, "তুমিই তাহলে সেই ভাগ্যবান মানুষ যাকে রাজকন্যা লিলি বিয়ে করেছে?"
"হ্যাঁ, আমি।" দু'পা এগোয় সাদাফ।
"কত দিবে বললে?"
"আশি লক্ষ।"
"ওরে বাবা! এত টাকা!" বলে হা হা করে হেসে উঠে অহুওয়ে। সঙ্গে তার বাকি সৈন্যরাও তাল মিলায়। অহুওয়ে শক্ত গলায় বলে, "শোনো বোকা মানব, তোমাদের পৃথিবী একশো কোটিবার কিনলেও রাজকন্যা লিলির সম্পত্তি এইটুকু কমবে না। আর তুমি তাকে মাত্র আশি লক্ষ টাকায় কিনতে চাইছো! ওরে বাবা! অনেক টাকা! হা হা হা!"
ওরা মিলিকে নিয়ে গেলে সব এলিয়েন জড়ো হয় সাদাফের আশপাশে। সাদাফ সাহায্য চায়। যে করেই হোক, মিলিকে ফিরে পেতে হবে। কিন্তু এলিয়েনরা নিরীহ। ওরা নিজেদের অপারগতা স্বীকার করে মাথা নত করে রাখে। বিচারক এগিয়ে এসে সাদাফকে সসম্মানে পৃথিবীতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
চলে আসার সময় সাদাফ ফিরে ফিরে তাকায়।
মিলিকে নিয়ে গেছে একদিকে। আর সাদাফ আসছে অন্য দিকে। সাদাফের বিয়ে করা বউকে চোখের সামনে থেকে তুলে নিয়ে গেল। সাদাফ কিছুই করতে পারল না! ব্যাপারটা খুবই ভাবাচ্ছিল তাকে। একসময় চোখের কোলে একফোঁটা জল জমে যায় তার। বুক ভরা নিঃশ্বাস নিয়ে সে বলে, "তাহলে আমি একজন ব্যর্থ স্বামী!"
একদিন গভীর রাতে ঘুমে বুঁদ হয়ে আছে সাদাফ।
এসি চলছে তবুও ঘামছে সে। বিছানার উপর তার এলোমেলো দেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। মিলি উড়ে এসেছে সাদাফের ঘরে। ডিম লাইটের মৃদু আলোয় সে একনজর সাদাফকে দেখে নিয়ে ধরা গলায় ফিসফিস করে বলে, "কেন আপনি আমার আসল পরিচয় জানতে গেলেন? কেন দেখতে গেলেন আমার আসল রূপ? এখন যে আমি আর কখনোই আপনার হতে পারব না! আমি যে আর কখনোই স্ত্রী হয়ে আপনার পাশে দাঁড়াতে পারব না! এই যে আমি এতগুলো এলিয়েনকে পরাজিত করে আমার বাবার রাজ্য জয় করে পৃথিবীর বুকে ফিরে এসেছি, আপনাকে দেখছি, খুব কাছ থেকে আপনাকে অনুভব করছি তবুও ছুঁতে পারছি না। নিজের স্বামীকে ছোঁয়া আজ আমার জন্য নিষিদ্ধ! ছুঁলেই আমি মারা যাব! কেন এই জটিল নিয়ম? কী হত এমন আজব নিয়ম না থাকলে বলুন?"
চোখে জল জমে গেছে মিলির। কথা বলতে গিয়ে গলা কেঁপে উঠছে তার। দু'হাতে চোখ মুছে নিয়ে আকাশের বুকে উড়ে যায় সে।
কী একটা শব্দ পেয়ে জেগে উঠে সাদাফ।
মনে হলো, একটু আগে কে যেন এসেছিল তার ঘরে! সাদাফ আঁতিপাঁতি করে খুঁজে। ঘরের আশপাশ, বেলকনি, বাথরুম কোনোকিছু বাদ দেয় না। কোথাও কাউকে পাওয়া গেল না। কিন্তু সে যে কেউ একজনের উপস্থিতি টের পেয়েছে! আসলেই কি কেউ এ-ঘরে এসেছিল? না কি ভ্রম?
চোখ কচলে আবার বিছানার উপর ধপাস করে লুটিয়ে পড়ে সাদাফ। ঠিক তখনই তার হাতের কাছে একটা পালক দেখতে পায়। অনেকটা পাখির পালকের মতো হলেও সেটা আকারে অনেক বড়ো এবং ধবধবে সাদা। পালকটা হাতে নিয়েই চট করে উঠে বসে সাদাফ। এটা যে মিলির চিহ্ন! তাহলে কি মিলি এখানে এসেছিল? কিন্তু কোথায় সে?
আরো একদফা খোঁজাখুঁজি করল সাদাফ। কিন্তু মিলিকে কোথাও পাওয়া গেল না। শেষরাতে ঘুমিয়ে পড়ার পর অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখল সাদাফ। দেখল, মিলি আর সে ট্রেনে করে কোথাও যাচ্ছে।মিলি সাদাফের কাঁধের উপর মাথা রেখে ঘুমুচ্ছে। তাদের মুখোমুখি একটা লোক বসে আছে। লোকটা সাদাফকে উদ্দেশ্য করে বলে, "একশো কোটি টাকার বিনিময়ে আমি আপনার বউকে কিনে নিতে চাই।"
সমাপ্ত
[পঞ্চম পর্ব দেওয়ার পর অনেকদিন হয়ে গেল! অনেক লেট করে ফেলেছি। এই ক'টা দিন আমি অনেক চেষ্টা করেছি লিখে ফেলার। আমি জানি কী কী লিখতে হবে। কিন্তু তা-ও পারিনি। যতবার চেষ্টা করেছি, ব্যর্থ হয়েছি। ঘন্টার পর ঘন্টা নষ্ট করেও একটি শব্দ লিখতে পারিনি। জানি না কেন এমন হয়েছে। তবে না পারা দিনগুলো খুব পীড়া দিয়েছে আমায়। আগামীতে যেন আর কখনো এরকম না হয়, সেটাই চাই। সবাই দোয়া করবেন, যেন লেখালিখিটা করে যেতে পারি আজীবন। সবার জন্য শুভকামনা।]
মো. ইয়াছিন
গত পর্বের লিংক : https://www.facebook.com/100054727422264/posts/511726910661552/?app=fbl